মানুষ ইসলাম সম্পর্কে কতটা জাহেল (মূর্খ) তা আবু ত্বহা আদনান সাহেবের স্ত্রী ফিরিয়ে নেয়ার ঘটনা থেকে কিছুটা বোঝা যায়। ইসলাম একত্রে ৩ তালাক দিতে উৎসাহিত করে না। একটি করে তালাক দিতে বলা হয়েছে যদি কোনোভাবেই সংসার করা সম্ভব না হয় অর্থাৎ শরয়ী ওজর আপত্তি থাকে। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রী যদি পরবর্তীতে তাদের ভুল বুঝতে পারেন এবং পুনরায় একত্রে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেন তবে তারা আবার বিয়ে করে একত্রে থাকতে পারেন।
তবে এক্ষেত্রে একটি তালাক পতিত হয়ে যায় এবং গণনা করা হয়। এভাবে যদি এক এক করে ৩ তালাক পতিত হয়ে যায় তখন আর স্ত্রীকে পুনরায় বিবাহ করে ফিরিয়ে নেয়ার সুযোগ থাকে না। তবে সেই ৩ তালাক প্রাপ্তা স্ত্রী যদি ইদ্দত পালন করে অন্যত্র বিবাহ করেন, ঘর সংসার করেন এবং সেখান থেকে তালাকপ্রাপ্তা কিংবা বিধবা হন তবে তাকে পুনরায় তার পূর্বের স্বামী বিয়ে করে সংসারে আনতে পারেন।
সমাজে অনেক সময় দেখা যায়, ৩ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে অন্য করো সাথে মিছেমিছি বিয়ে দিয়ে ১ দিন সংসার করার পরে তালাক দিয়ে প্রথম স্বামী ফিরিয়ে আনেন। এভাবে টালবাহানা বা হিলা বাহানা করা কোনো ক্রমেই ইসলামে জায়েজ নেই। এতে জেনা করার গুনাহ হবে। এটাকেই লোকজন নাম দিয়েছে হিল্লা বিয়ে।
যাইহোক, ইসলামে এরকম কোনো হিলা বাহানা করার সুযোগ নেই। ইসলাম বিয়ে এবং তালাককে খেল তামাশার বিষয় বানায়নি যে মন চাইলো তালাক দিবেন আর মন চাইলো ফিরিয়ে আনবেন, এভাবে ক্রমাগত বিয়ে ও তালাক দিতেই থাকবেন। এসব ফাতরামি বা ফাজলামো করার সুযোগ ইসলাম রাখেনি।








