বর্তমান সময়ে ‘উদারতা’ বা ‘সম্প্রীতি’র দোহাই দিয়ে অন্যের ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা জানানোকে খুব স্বাভাবিক কাজ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়, এটি আসলে আমাদের নিজস্ব ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি এক ধরনের উদাসীনতা।
ধর্ম কেবল কতগুলো আচার-অনুষ্ঠানের নাম নয়, বরং এটি একটি নির্দিষ্ট আদর্শ ও বিশ্বাসের নাম। প্রত্যেক ধর্মেরই নিজস্ব কিছু মৌলিক বিশ্বাস থাকে, যা অন্য ধর্মের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক হতে পারে। যখন আমরা অন্য কোনো ধর্মের বিশেষ উৎসবে অংশ নিই বা শুভেচ্ছা জানাই, তখন পরোক্ষভাবে আমরা তাদের সেই বিশ্বাসের সঙ্গেই একাত্মতা পোষণ করি।
ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে, তৌহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদই হলো বিশ্বাসের মূল ভিত্তি। যখন কোনো উৎসব এমন কোনো বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে পালিত হয় যা তৌহিদের পরিপন্থী, তখন সেখানে শুভেচ্ছা জানানো আমাদের ঈমানি সচেতনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সম্প্রীতি মানেই কি উৎসব পালন?
না, সামাজিক সম্প্রীতি মানে হলো অন্যের অধিকার রক্ষা করা, প্রতিবেশী হিসেবে সুসম্পর্ক রাখা এবং বিপদে পাশে দাঁড়ানো। এর জন্য অন্যের ধর্মীয় বিশ্বাস বা উৎসবে শরিক হওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং নিজের ধর্মের সীমারেখা বজায় রেখেও সবার সাথে চমৎকার সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।
আসুন, উদারতার নামে ধর্মীয় উদাসীনতা ত্যাগ করি এবং নিজের বিশ্বাসের প্রতি আপসহীন থাকি। সুস্থ ও সুন্দর সামাজিক সহাবস্থান বজায় থাকুক, কিন্তু তা যেন আমাদের ঈমানি স্বকীয়তাকে বিসর্জন দিয়ে না হয়।
#ধর্মীয়সচেতনতা #ঈমান #ইসলামীজীবন #সামাজিকসম্প্রীতি #সতর্কতা








