নামাজ ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ—কালিমা শাহাদাতের পরই যার স্থান। অথচ, নামাজ কত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল, তা আমরা অনেকেই বুঝিনা। দুনিয়ার ব্যস্ততা, আরাম এবং অলসতা আমাদের এমনভাবে গ্রাস করেছে যে, আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার সময়টুকুও আমরা বের করতে পারি না। নামাজকে ‘বড় বোঝা’ মনে করে আমরা সহজেই ছেড়ে দেই।
কিন্তু, আমরা কি জানি— পরকালে আমাদের প্রথম হিসাব এই নামাজেরই নেওয়া হবে? হাদিস শরীফে এসেছে, কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম বান্দার কাজের মধ্যে নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। যদি সঠিকভাবে নামাজ আদায় করা হয়, তবেই সে নাজাত পাবে এবং সফল হবে।
নামাজকে যারা অবহেলা করে, তাদের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা কুরআনে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। জান্নাতিরা যখন জাহান্নামিদের জিজ্ঞেস করবে: “তোমাদেরকে কিসে ‘সাকার’ (জাহান্নাম) এ নিক্ষেপ করেছে?”
তখন তারা উত্তর দেবে, “আমরা সালাত (নামাজ) আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।”
সূরা মুদ্দাসসিরের ৪২-৪৩ নম্বর আয়াতে বিস্তারিত এসেছে। তাফসীর গ্রন্থ থেকে বিস্তারিত দেখা যেতে পারে।
চিন্তা করুন, জাহান্নামের মতো কঠিন শাস্তির প্রথম ও প্রধান কারণ হবে নামাজ পরিত্যাগ করা!
আসুন, আমরা আর দেরি না করে নিজেদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান এই আমলটিকে গুরুত্ব দেই। নামাজ কেবল আল্লাহর প্রতি আমাদের আনুগত্যেরই প্রতীক নয়, এটি অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকারও কার্যকর উপায়। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দৈনিক পাঁচবার তাঁর দরবারে হাজিরা দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নামাজকে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতার চাবিকাঠি বানাই।









